বাংলাদেশ ডেইরি এন্ড ফ্যাটেনিং ফার্মারস এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন!
দেশের অর্থনীতির তিন প্রধান স্তম্ভ—কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য—এই সমন্বিত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন টেকনোক্রেট মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
খামারিদের প্রত্যাশা ও নতুন সম্ভাবনা
আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের মতো একজন অভিজ্ঞ এবং সাংগঠনিক দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আসায় প্রান্তিক খামারিদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। বিশেষ করে ডেইরি এবং ফ্যাটেনিং সেক্টরে যেসকল চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তা মোকাবিলায় তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও প্রশাসনিক দক্ষতা সহায়ক হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
আমাদের এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে নতুন মন্ত্রীর কাছে প্রধান অগ্রাধিকারগুলো হলো:
-
গো-খাদ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ: পশুখাদ্যের অস্বাভাবিক দাম কমিয়ে উৎপাদন খরচ হ্রাস করা।
-
ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ: খামারিরা যাতে দুধ ও মাংসের সঠিক দাম পান, সে ব্যবস্থা জোরদার করা।
-
প্রান্তিক সহায়তা: ডেইরি ও ফ্যাটেনিং খামারিদের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও সহজ শর্তে ঋণের সুযোগ সৃষ্টি।
-
বাজার স্থিতিশীলতা: আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎপাদনকে সুরক্ষা প্রদান।
রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা
উল্লেখ্য, আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর কেন্দ্রীয় পর্যায়ের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। সংসদ সদস্য হিসেবে তাঁর পূর্ব অভিজ্ঞতা এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা আমাদের এই বিশাল খামারি গোষ্ঠীর সমস্যাগুলো সরকারি পর্যায়ে তুলে ধরতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
আগামীর পথচলা
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং স্মার্ট কৃষির এই যুগে, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং খামারিদের স্বার্থ রক্ষা করাই হবে তাঁর সামনের বড় চ্যালেঞ্জ। সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, টেকনোক্রেট কোটায় তাঁর অন্তর্ভুক্তি মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে গতিশীলতা আনবে এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ ডেইরি এন্ড ফ্যাটেনিং ফার্মারস এসোসিয়েশন নবনিযুক্ত মন্ত্রীর সাফল্য কামনা করছে। আমরা প্রত্যাশা করি, তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাত একটি টেকসই ও লাভজনক শিল্পে পরিণত হবে।